হিফজ বিভাগে প্রতিটি ছাত্রের মুখস্থ করার অগ্রগতি রেকর্ড করার পদ্ধতি — সাবাক (নতুন পাঠ), সাবকি (সাম্প্রতিক সংশোধন), মানজিল (পুরনো পুনরাবৃত্তি) আর দাউর আলাদা করে জুজ ও সূরা অনুযায়ী ট্র্যাক করা হয়। ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ে তাজবিদ স্কোরিং ও ভুলের শ্রেণিবিভাগও যুক্ত থাকে।
হিফজে পুরনো পাঠ নিয়মিত পুনরাবৃত্তির অংশ — একবার মুখস্থ হওয়া কুরআন ভুলে যাওয়া রোধে দৈনিক যা দোহরানো হয়। মানজিল ছাড়া হিফজ ধারাবাহিক থাকে না; তাই প্রতিটি ছাত্রের মানজিলের আলাদা হিসাব রাখা জরুরি।
কওমি মাদ্রাসার প্রচলিত শিক্ষাক্রম — আরবি ব্যাকরণ, ফিকহ, হাদিস, তাফসিরসহ কিতাব-ভিত্তিক ধাপে ধাপে সাজানো পাঠ্যক্রম। মাদ্রাসা সফটওয়্যারে দারসে নিজামীর কিতাব ও সালা (বার্ষিক মূল্যায়ন) ট্র্যাকিং থাকা জরুরি।
ছাত্রের চরিত্র ও আচরণের নিয়মিত মূল্যায়ন — সততা, নামাজ, পোশাক, শৃঙ্খলা, সহপাঠীর আচরণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সময়ানুবর্তিতার মতো ক্যাটাগরিতে। পরীক্ষার নম্বরের বাইরে সামগ্রিক বিকাশ মাপার হাতিয়ার।
নির্ধারিত সময়ে অাদায় না হওয়া ফি। ম্যানুয়াল ব্যবস্থায় বকেয়ার হিসাব রাখা ও তাড়া করা সবচেয়ে সময়খেকো কাজ; ডিজিটাল সিস্টেমে বকেয়া তালিকা নিজে নিজে আপডেট হয় এবং অভিভাবক অটো-রিমাইন্ডার পান।
হিসাবরক্ষণের আদর্শ পদ্ধতি — প্রতিটি লেনদেন দুটি দিকে রেকর্ড হয় (ডেবিট/ক্রেডিট), ফলে হিসাব নিজেই নিজের ভুল ধরিয়ে দেয়। iilmaa-র একাউন্টিং মডিউল ফি আদায় এই পদ্ধতিতেই পোস্ট করে।
একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক ক্যাম্পাস বা শাখা এক সিস্টেম থেকে চালানো — প্রতিটি শাখার ছাত্র, হাজিরা, ফি ও রিপোর্ট আলাদাভাবে এবং সব শাখা মিলিয়েও দেখা যায়। শাখার স্টাফ শুধু নিজ শাখার ডাটা দেখে।
এমন সফটওয়্যার ডিজাইন যেখানে ইন্টারনেট ছাড়াই মূল কাজ (হাজিরা, ফি, নম্বর) চলে — ডাটা ডিভাইসে জমা থাকে, নেট এলে অটো সিঙ্ক হয়। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট বাস্তবতায় এটি অপরিহার্য।
তিলাওয়াত ও হিফজের সুবিধার জন্য পবিত্র কুরআনকে ৩০টি প্রায় সমান অংশে ভাগ করা হয়েছে — প্রতিটি অংশ এক জুজ (বা পারা)। হিফজ বিভাগে ছাত্রের পড়া জুজ ধরে ধরে এগোয়, তাই অগ্রগতির হিসাবও সাধারণত জুজ নম্বর অনুযায়ী রাখা হয়। iilmaa-র হিফজ ট্র্যাকিংয়ে প্রতিটি ছাত্রের অগ্রগতি জুজ ও সূরা অনুযায়ী রেকর্ড হয়।
কুরআনের প্রতিটি অধ্যায়কে সূরা বলে; পুরো কুরআনে ১১৪টি সূরা আছে, ছোট-বড় নানা দৈর্ঘ্যের, প্রতিটি সূরা আবার আয়াতে বিভক্ত। হিফজের দৈনিক সাবাক কোনো নির্দিষ্ট সূরা থেকে দেওয়া হয় এবং পুনরাবৃত্তির হিসাবও প্রায়ই সূরা ধরে রাখা হয়। iilmaa জুজের পাশাপাশি সূরা অনুযায়ী হিফজের অগ্রগতি রেকর্ড করে।
হিফজের ছাত্র প্রতিদিন যে নতুন অংশ (সাধারণত কয়েক লাইন থেকে অর্ধেক পাতা) মুখস্থ করে এবং পরদিন উস্তাদের কাছে পড়ে শোনায়, সেটিই সাবাক। সাবাক, সাবকি, মানজিল ও দৌর — এই চারটির মিলেই হিফজের দৈনন্দিন রুটিন। iilmaa-তে প্রতিটি ছাত্রের সাবাক জুজ ও সূরা ধরে আলাদা রেকর্ড থাকে, তাই সবকিছু শুধু শিক্ষকের স্মৃতির ওপর নির্ভর করে না।
সাম্প্রতিক কয়েক দিনের সাবাক মুখস্থ অবস্থায় পুনরাবৃত্তি করে শোনানো — নতুন পাঠ দেওয়ার আগে যা করানো হয়; এটি হিফজের 'সাম্প্রতিক সংশোধন' স্তর। নিয়মিত সাবকিই সদ্য-মুখস্থ পড়া ভুলে যাওয়া থেকে বাঁচায়। iilmaa-তে সাবকি প্রতিটি ছাত্রের জন্য আলাদা করে রেকর্ড হয়, ফলে সংশোধন নতুন মুখস্থের ছন্দে চলছে কি না — শিক্ষক ও অভিভাবক দুজনেই দেখতে পান।
হিফজের ছাত্র একটানা অনেক অংশ — প্রায়ই এক বা একাধিক পুরো জুজ — মুখস্থ পড়ে শোনায়; রমজান বা হিফজের শেষ বর্ষে দলবদ্ধভাবে এই পুনরাবৃত্তিকেও দৌর বলে। রোজকার ছোট সংশোধনে যে দুর্বলতা ধরা পড়ে না, দৌর তা বের করে আনে। iilmaa-র হিফজ ট্র্যাকিংয়ে দৌর সাবাক-সাবকি-মানজিলের সঙ্গেই প্রতিটি ছাত্রের জন্য রেকর্ড হয়।
কুরআন সঠিকভাবে পড়ার নিয়মাবলি — মাখরাজ (উচ্চারণস্থান), গুন্নাহ, মাদ্দসহ বিভিন্ন নিয়ম — একে তাজবিদ বলে। হিফজের মূল্যায়নে শুধু মুখস্থ নয়, পড়ার তাজবিদ-শুদ্ধতাও গুরুত্ব পায়। iilmaa-তে ১–৫ স্কেলে তাজবিদ স্কোরিং এবং ভুলের শ্রেণিবিভাগ রেকর্ড করা যায় — তাই পরিমাণের পাশাপাশি গুণও হিসাবে থাকে।
সনদসংযুক্ত অনুমোদিত উস্তাদ সাক্ষ্য দেওয়া যে ছাত্র পুরো কুরআন সঠিকভাবে পাঠ বা মুখস্থ করেছে এবং তিনি এটি পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার অধিকারী — এই আনুষ্ঠানিক সনদই ইজাযাহ। হিফজ সমাপ্ত ছাত্রের জন্য এটিই সবচেয়ে মূল্যবান একাডেমিক দলিল। iilmaa-তে খতমে কুরআনের রেকর্ড থেকে এক ক্লিকে ইজাযাহ সনদ তৈরি হয়।
পুরো কুরআন পাঠ বা হিফজ সম্পূর্ণ হওয়া; মাদ্রাসায় এতে থাকে সমাপনী রেকর্ড এবং সাধারণত দোয়া বা অনুষ্ঠান। হিফজ বিভাগে খতমের রেকর্ডই চূড়ান্ত সনদ (ইজাযাহ) ইস্যুর ভিত্তি। iilmaa প্রতিটি ছাত্রের খতমে কুরআনের রেকর্ড রাখে এবং সেখান থেকেই সমাপনী সনদ তৈরি করে।
মুখস্থ না করে মুশফ (কুরআন) দেখে দেখে সহজ-সঠিক তিলাওয়াত শেখানোর কোর্স — যা সাধারণত হিফজের আগে বা শুরুর স্তরে পড়ানো হয়। নাযরা ক্লাসেও হিফজের মতোই দৈনিক পাঠ ও সংশোধনের ছন্দ থাকে। iilmaa-র হিফজ ও কুরআন মডিউলে দৈনিক কুরআন পাঠ জুজ ও সূরা অনুযায়ী রেকর্ড হয়।
আরবি হরফ, উচ্চারণস্থান ও হরফ জোড়ার প্রাথমিক নিয়ম শেখানোর বই — সাধারণত নূরানী কায়দা — যা শেষ করে ছাত্র নাযরা বা হিফজে ওঠে। মাদ্রাসার সবচেয়ে ছোট স্তর সাধারণত কায়দা ক্লাস। iilmaa-তে মক্তবের ছোট ছাত্রদেরও সবার মতো ম্যানেজ করা যায় — ভর্তির রেকর্ড, হাজিরা এবং অনুপস্থিতিতে অভিভাবকের কাছে অটো SMS-সহ।
কওমি মাদ্রাসার প্রচলিত ভাষায় দারসে নিজামী পাঠ্যক্রমের আরবি বইগুলোকে কিতাব বলে — ব্যাকরণ (সরফ, নহব) থেকে হাদিস-তাফসির পর্যন্ত বছর ধরে ধাপে ধাপে; 'কিতাব বিভাগ' বললে হিফজ বিভাগের বাইরের এই বই-ভিত্তিক ধারা বোঝায়। বছরের কিতাব ও সালানা পরীক্ষার ভিত্তিতেই ওপরের স্তরে উত্তীর্ণতা। iilmaa-র কিতাব সিলেবাস ট্র্যাকিং দারসে নিজামী ও তাখাসসুস — দুই স্তরেই বই-ভিত্তিক অগ্রগতি ধরে রাখে।
কওমি মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষা, অনেক ক্ষেত্রে উইফক (বোর্ড)-এর কেন্দ্রীয় প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয়। সালানার ফলই পরের বছরের কিতাবে ওঠার যোগ্যতা নির্ধারণ করে। iilmaa-র কিতাব সিলেবাস ট্র্যাকিংয়ের অংশ হিসেবেই সালানা (বার্ষিক মূল্যায়ন) ধরা থাকে, তাই বার্ষিক ফলও বাকি সব রেকর্ডের সঙ্গে জমা থাকে।
দৌরায়ে হাদিসের পর কওমি শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর — বিশেষজ্ঞতা; সবচেয়ে প্রচলিত শাখা তাখাসসুস ফিল ইফতা (ফতোয়া বিশেষজ্ঞতা), এছাড়া হাদিস, তাফসিরসহ অন্য শাখাও আছে। দারসে নিজামীর সিঁড়িতে এটিই শেষ ধাপ। iilmaa-র কিতাব সিলেবাস মডিউল দারসে নিজামী ও তাখাসসুস — দুই স্তরই সাপোর্ট করে।
বাংলাদেশের বেসরকারি মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা, যা দারসে নিজামী পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়াসহ নিজস্ব উইফক (বোর্ড) দিয়ে পরিচালিত হয়; আরবি ভাষা, ইসলামি বিজ্ঞান ও হিফজে বিশেষ মনোযোগ এর বৈশিষ্ট্য। মূল্যায়ন ও রিপোর্টের ফরম্যাট সরকারি বোর্ড থেকে আলাদা। iilmaa কওমি ও আলিয়া — দুই ফরম্যাটেই রেজাল্ট ও মূল্যায়ন সাপোর্ট করে।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন সরকারি স্বীকৃত মাদ্রাসা ব্যবস্থা — ইবতেদায়ী থেকে দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল পর্যন্ত ধাপ; পাঠ্যক্রমে ইসলামি ও সাধারণ বিষয় — দুটোই থাকে। রেজাল্ট ও রিপোর্ট কার্ড বোর্ডের কাঠামো অনুসরণ করে। iilmaa আলিয়া ও কওমি — দুই ফরম্যাটেই রিপোর্ট কার্ড তৈরি করতে দেয়।
চাঁদ দেখার ভিত্তিতে চলা ইসলামি চান্দ্র বর্ষপঞ্জি, যার গণনা হিজরত থেকে শুরু। অনেক মাদ্রাসা শিক্ষাবর্ষ ও ইসলামি দিবসের সূচি ইংরেজি নয়, হিজরি তারিখেই চালায়। iilmaa-তে শিক্ষাবর্ষ হিজরি তারিখে চলে এবং ইসলামি গুরুত্বপূর্ণ দিনের রিমাইন্ডার অটো আসে।
কওমি মাদ্রাসায় দৌরায়ে হাদিসের পর ফিকহ ও ফতোয়া-বিষয়ক প্রশিক্ষণের বিশেষ বিভাগ; এর প্রধানকে সাধারণত মুফতি বলা হয়। ইফতা বিভাগ সমাজের ফিকহি জিজ্ঞাসার উত্তর দেয় ও ফতোয়ার রেকর্ড রাখে; সব মাদ্রাসায় ইফতা বিভাগ থাকে না।
কওমি দারসে নিজামীর শেষ বর্ষ, যেখানে সিহাহ সিত্তাহ (ছয় প্রসিদ্ধ হাদিসগ্রন্থ) পড়ানো হয়; সমাপ্তিতে ছাত্র স্নাতকোত্তর-সমমান 'ফাজিলত' অর্জন করে। অনেকে এরপর তাখাসসুস বা ইফতায় ভর্তি হয়। iilmaa-র কিতাব ট্র্যাকিংয়ে দারসে নিজামীর ধাপগুলো — দৌরসহ — বই-ভিত্তিক রেকর্ড হয়।
একই লেভেলের ছাত্র বেশি হলে ক্লাসকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা (যেমন হিফজ ৩ — সেকশন আ), প্রতিটির আলাদা শিক্ষক, রুম ও রুটিন। লেভেল এক রেখেই ক্লাসের আকার ছোট রাখা যায়। iilmaa-তে লেভেল ভেঙে সেকশন ও শিফট করা যায়; হাজিরা, ফি ও পরীক্ষা একই ভাগ অনুসরণ করে।
একই ভবন ও স্টাফ দিয়ে দিনের ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ছাত্রদল পড়ানো — যেমন সকালে স্কুল শিফট, দুপুরে মক্তব বা হিফজ শিফট। বাংলাদেশের অনেক স্কুল-মাদ্রাসা দিনে দুই-তিনটি শিফট চালায়। iilmaa লেভেল, শিফট ও সেকশন একসঙ্গে সাপোর্ট করে, তাই মিশ্র রুটিনও এক সিস্টেমে ম্যানেজ হয়।
ক্লাস বা সেকশনের ভেতরে ছাত্রের ক্রমিক সংখ্যা, যা দিয়ে হাজিরা খাতা, নম্বর এন্ট্রি, পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও রিপোর্ট কার্ড সাজানো হয়। নাম মিলে গেলেও রোল নম্বর রেকর্ড আলাদা করে দেয়। iilmaa-তে হাজিরা ও নম্বর এন্ট্রি রোল ধরে চলে — পুরো ক্লাসের হাজিরা লাগে প্রায় ৩০ সেকেন্ডে।
সব বিষয়ের নম্বর এক টেবিলে জমা করে গ্রেড, জিপিএ ও মেধাস্থান বের করার মূল খাতা। রেজাল্টের আগে হাতে ট্যাবুলেশন করা স্কুল অফিসের সবচেয়ে ভুলপ্রবণ ও সময়খেকো কাজগুলোর একটি। iilmaa এন্ট্রি করা নম্বর থেকে ট্যাবুলেশন শিট অটো তৈরি করে — একই ডাটা থেকে বোর্ড-ফরম্যাট রিপোর্ট কার্ডও আসে।
পরীক্ষায় বসার অনুমতিপত্র — এতে থাকে নাম, রোল, ছবি, বিষয় ও পরীক্ষার সময়সূচি; অনেক প্রতিষ্ঠান প্রতিটি পত্রে প্রবেশপত্র সঙ্গে রাখতে বলে। পরীক্ষার সপ্তাহে গোটা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপত্র ছাপানো চিরচেনা শেষ মুহূর্তের কাজ। iilmaa-র পরীক্ষা মডিউল বিদ্যমান ছাত্র-রেকর্ড থেকে প্রবেশপত্র তৈরি করে।
ছাত্র প্রতিষ্ঠান ছাড়লে ইস্যু হওয়া দলিল — এতে ভর্তির সময়কাল, পড়া ক্লাস ও ছাত্রের চরিত্র সাক্ষ্য দেওয়া হয়, যা ছাড়া নতুন প্রতিষ্ঠান ভর্তি নিতে চায় না। iilmaa-র সনদ মডিউলে ছাত্রের বিদ্যমান রেকর্ড থেকে TC, ID কার্ডসহ অন্য সনদপত্রও তৈরি হয়।
Monthly Pay Order — নিবন্ধিত বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতনের সরকারি ভর্তুকি কার্যক্রম; যে পদ ও শিক্ষক এর আওতায় আসে, তাদের এমপিও-তালিকাভুক্ত বলে। প্রতিষ্ঠানের হিসাবে এমপিও-ভর্তুকি আর প্রতিষ্ঠান-বাহিক বেতন পাশাপাশি রাখতে হয়। iilmaa-র HR ও পেরোল মডিউলে যেকোনো ব্যবস্থার স্টাফের পূর্ণ বেতন-রেকর্ড থাকে।
বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক ফলের গ্রেডিং স্কেল (০–৫.০০), যেখানে প্রতিটি বিষয়ের গ্রেড পয়েন্টের (A+ = ৫.০০ থেকে D = ১.০০) গড়ই জিপিএ; ৫.০০ সর্বোচ্চ ফল। বোর্ড-সংযুক্ত স্কুল-মাদ্রাসা এই স্কেলেই ফল দেয়। iilmaa নম্বর এন্ট্রির পর জিপিএ ৫.০ স্কেলে অটো গ্রেডিং করে এবং মেধাতালিকা ও বোর্ড-ফরম্যাট রিপোর্ট কার্ড বানায়।
বড় অঙ্কের ফি — ভর্তি, বার্ষিক বা কোর্স ফি — প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকের সম্মতিতে কয়েকটি নির্দিষ্ট ছোট পেমেন্টে ভাগ করা। কিস্তি পরিবারের জন্য সামর্থ্যের মধ্যে আনে, আর প্রতিষ্ঠানের আদায়কে পূর্বানুমানযোগ্য করে। iilmaa-র ফি মডিউলে ইনভয়েসের বিপরীতে কিস্তি ও আংশিক পেমেন্ট — দুটোই সাপোর্টেড, বকেয়া অটো ট্র্যাক হয়।
পেমেন্টের লিখিত প্রমাণ — টাকার অঙ্ক, তারিখ, কোন ফি বা কিস্তি, প্রদানকারী ও গ্রহীতা; অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের খাতা — দুজনেরই প্রাথমিক দলিল এটিই। রশিদ না থাকলে ফি-নিয়ে বিরোধে কোনো ভিত্তি থাকে না। iilmaa-তে ক্যাশ বা বিকাশ/নগদ — যেভাবেই পেমেন্ট হোক, রশিদ PDF তৈরি হয় এবং অভিভাবককে নোটিফিকেশন পাঠানো যায়।
একই টাকার দুটি স্বাধীন হিসাব — যেমন ফি রেজিস্টার বনাম বিকাশ স্টেটমেন্ট বা ব্যাংক পাসবুক — মিলিয়ে দেখা যে সব এন্ট্রি ঠিক আছে কি না, বাদ বা ডাবল এন্ট্রি ধরা যায় কি না। মাস শেষে নিয়মিত রিকনসিলিয়েশনই ফাঁক ও ভুল আগে ধরে। ফি, রশিদ আর লেজার এক সিস্টেমে থাকলে (যেমন iilmaa) রিকনসিলিয়েশন মানেই কয়েক মিনিটের রিপোর্ট-চেক।
প্রতিষ্ঠানের সব আয়-ব্যয়ের খাতের গোছানো তালিকা — বেতন, বিদ্যুৎ, যাকাত ফান্ড, ব্যাংক, ক্যাশ — প্রতিটির আলাদা কোডসহ; এটিই যেকোনো একাউন্টিং সিস্টেমের মেরুদণ্ড। চার্ট গোছানো থাকলে রিপোর্টও অর্থবহ হয় ('এ বছর পরিবহনে কত খরচ হলো?')। iilmaa-র ডায়মন্ড প্ল্যানে চার্ট অব অ্যাকাউন্টস ও ডাবল-এন্ট্রি লেজারসহ একাউন্টিং আছে।
অফিসের ছোটখাটো দৈনিক খরচের — স্টেশনারি, ভাড়া, সারাই — জন্য হাতে রাখা নগদ তহবিল, সাধারণত ভাউচার দিয়ে হিসাব রাখা হয়। অঙ্ক ছোট হলেও হিসাবহীন খুচরা খরচই অনেক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ফাঁক তৈরি করে। iilmaa-র আয়-ব্যয় মডিউলে এসব ছোট খরচও বাকি হিসাবের সঙ্গেই রেকর্ড ও সারসংক্ষেপ হয়।
এমন প্রোডাক্ট যা পুরোপুরি গ্রাহকের নিজস্ব ব্র্যান্ডে চলে — নিজের লোগো, নিজের ডোমেইন, নিজের পরিচয়; পেছনের ভেন্ডর ব্যবহারকারীর চোখে পড়ে না। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে অভিভাবক দেখেন 'মাদ্রাসার নিজস্ব ওয়েবসাইট ও পোর্টাল', কোনো তৃতীয় পক্ষের ব্র্যান্ড নয়। iilmaa-র ডায়মন্ড প্ল্যানে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ডোমেইনে হোয়াইট-লেবেল ওয়েবসাইট আছে।
নিরাপত্তার পদ্ধতি যেখানে প্রত্যেক ইউজার একটি রোল পায় — অ্যাডমিন, শিক্ষক, একাউন্ট্যান্ট, শাখা-ম্যানেজার — আর রোলই ঠিক করে কে কী ডাটা দেখবে বা বদলাতে পারবে: শিক্ষক নিজের ক্লাস দেখেন, বেতনের হিসাব নয়। এতে ভুল কমে, অভিভাবকের নম্বরের মতো সংবেদনশীল তথ্যও সুরক্ষিত থাকে। iilmaa রোল-ভিত্তিক অ্যাক্সেস ব্যবহার করে — স্টাফ দেখেন শুধু দায়িত্বের অংশটুকু।
ডাটাবেজ-স্তরের সুরক্ষা, যেখানে প্রতিটি কোয়েরি নিয়ম অনুযায়ী ছেঁকে নেওয়া হয় — ইউজার শুধু তার অনুমোদিত রেকর্ড (রো) পড়তে বা বদলাতে পারে; অন্য শাখার ছাত্রের ডাটা প্রযুক্তিগতভাবেই আসে না। মেনু লুকানোর চেয়ে এটি গভীর সুরক্ষা — API বা ভুয়া লিংক দিয়েও ডাটা বেরোয় না। iilmaa-র সিকিউরিটিতে TLS এনক্রিপশন ও RLS-ভিত্তিক রোল পৃথকীকরণ আছে।
Application Programming Interface — সংজ্ঞায়িত সংযোগপথ, যার মাধ্যমে দুটি সফটওয়্যার নিজে নিজে ডাটা আদান-প্রদান করে; যেমন পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে কনফার্মেশন টানা, বা অন্য টুলে হাজিরার ডাটা পাঠানো। হাতে এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট না করে সিস্টেম যুক্ত করতে চাইলে API লাগে। iilmaa-র ডায়মন্ড প্ল্যানে API অ্যাক্সেস আছে।
সফটওয়্যারের অনুরোধকে মোবাইল নম্বরে SMS-এ পরিণত করে যে সার্ভিস; টেলিকম সংযোগ, রাউটিং ও ডেলিভারি রিপোর্ট এটাই সামলায়। স্কুল সফটওয়্যার এর ওপরই নির্ভর করে অভিভাবকদের হাজিরা, ফি ও নোটিশের বার্তা পাঠাতে। iilmaa BulkSMSBD গেটওয়ে ব্যবহার করে; প্ল্যান অনুযায়ী মাসিক ক্রেডিট — গোল্ডে ৫০০, ডায়মন্ডে ৩,০০০।
এক ক্লিকে গেটওয়ে দিয়ে শত শত নম্বরে একই বার্তা — নোটিশ, পরীক্ষার সময়সূচি, ছুটির ঘোষণা, বকেয়া রিমাইন্ডার। প্রতিটি SMS ক্রেডিট খায় বলে ভালো ডিজাইন করা সিস্টেম আগে পুশ নোটিফিকেশন ব্যবহার করে, জরুরি বার্তার জন্য SMS রাখে। iilmaa-তে নির্বাচিত ক্লাস বা পুরো প্রতিষ্ঠানকে বাল্ক বার্তা পাঠানো যায়; অভিভাবক অ্যাপের পুশ নোটিফিকেশন SMS ক্রেডিট খায় না।
ইনস্টল করা মোবাইল অ্যাপে পৌঁছানো বার্তা, যা ফোনের নোটিফিকেশন হিসেবে দেখা যায় — SMS-এর মতো খরচ বা নম্বর কিছুই লাগে না। স্কুল-মাদ্রাসায় অভিভাবকের অ্যাপে পুশ মানে নোটিশ, রশিদ ও অনুপস্থিতির সতর্কতা তাত্ক্ষণিক ও প্রায় শূন্য খরচে। iilmaa-র অভিভাবক অ্যাপে অনুপস্থিতি, ফি আদায়ের রশিদ, ফল প্রকাশসহ বিভিন্ন ইভেন্টে পুশ নোটিফিকেশন যায়।
গুগলের পুশ-ডেলিভারি অবকাঠামো, যার ওপর দিয়ে Android ও iOS অ্যাপ নোটিফিকেশন ডিভাইসে নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছায় — অফলাইন ফোনও পরে সংযোগ হলেই বার্তা পায়। স্কুলের অভিভাবক অ্যাপসহ বেশিরভাগ মোবাইল অ্যাপ FCM দিয়েই পুশ পাঠায়। iilmaa-র মোবাইল অ্যাপ FCM পুশ ব্যবহার করে — অভিভাবক অ্যাপ-নোটিফিকেশন পান, SMS ক্রেডিট খরচ হয় না।
কোনো সার্ভিস কত শতাংশ সময় চালু ও ব্যবহারযোগ্য ছিল — '৯৯.৯% আপটাইম' মানে বছরে মোটামুটি ৯ ঘণ্টার কম বন্ধ। স্কুল সফটওয়্যারে আপটাইম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যস্ত মুহূর্তগুলোতে — সকালের হাজিরা, মাসের শুরুর ফি আদায়, রেজাল্ট দিবস। iilmaa ক্লাউড-হোস্টেড; হোস্টিং, ব্যাকআপ ও আপডেট প্ল্যানের অন্তর্ভুক্ত — প্রতিষ্ঠানকে নিজে সার্ভার চালাতে হয় না।